ঠাকুর্দার ভূত দর্শন

আমাদের গ্রামে সর্বশেষ ভূত দেখা গিয়েছিল নারায়ণের ঠাকুর্দার শ্রাদ্ধের দিন থেকে প্রায় বছরখানেক। আর তখনই ভূতদের নিয়ে যুগের পর যুগ চলমান মিথ্যাচারের অবসান হয়েছিল। বিভিন্ন গল্প, উপন্যাস কিংবা ইতিহাসে ভূতদের নিয়ে যেসকল তথ্য-উপাত্ত হাজির করা হয়েছিল তা একটি বৃহৎ ষড়যন্ত্রের অংশ বলে প্রতীয়মান হয়েছে। এমন একটা নিরীহ প্রাণীকে মানুষ কি ভয়ঙ্করভাবেই

ছোটগল্প: স্টেডিয়ামে একদিন

বাবার সঙ্গে স্টেডিয়ামে গিয়ে খেলা দেখবে শাহান। তবে মাঠে বসে সরাসরি খেলা দেখার ব্যাপারে শাহানের চেয়ে তার বাবার আগ্রহটাই বেশি। কতো বাবা-মা’ই তো তাদের সন্তানদের সঙ্গে নিয়ে মাঠে খেলা দেখতে যান। ছোট ছোট শিশুরাও বাদ যায় না। এসব দেখে শাহানের বাবারও ইচ্ছে হয় ছেলেকে নিয়ে গ্যালারিতে বসে সরাসরি খেলা দেখবেন। সেই

আবোল তাবোল: সুকুমার রায়

আবোল তাবোল               সুকুমার রায় আয়রে ভোলা খেয়াল-খোলা স্বপনদোলা নাচিয়ে আয়, আয়রে পাগল আবোল তাবোল মত্ত মাদল বাজিয়ে আয়। আয় যেখানে ক্ষ্যাপার গানে নাইকো মানে নাইকো সুর, আয়রে যেথায় উধাও হাওয়ায় মন ভেসে যায় কোন সুদূর।